বাংলার একজন নারীকে আটকাতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন দিল্লির নেতারা, অভিষেক
দি নিউজ লায়ন; পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচারে এসে খন্ডঘোষের জনসভায় বিজেপিকে তুলোধোনা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার প্রচারে 24 ঘন্টা নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশিকার তীব্র প্রতিবাদ করে অভিষেক বলেন বাংলার একজন নারীকে আটকাতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন দিল্লির নেতারা। কেন্দ্রীয় বাহিনী নির্বাচন কমিশন কোন কিছুই বাদ নেই। তবু বাংলায় সুবিধা করা যাবেনা বাংলা তৃণমূলের, তৃণমূলেরই থাকবে।
১) প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চক্রান্ত করে পা ভাঙ্গা হলো। তারপর এজেন্সি দিয়ে ধমকানি, চমকানি। কাজ হলো না। তারপর শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ৫ জন রাজবংশীকে হত্যা করলো। তারপর তাদের পরিবারের সাথে দেখা করা উপর নিষেধজ্ঞা জারী করা হলো। তাতেও কাজ হলো না। তারপর প্রচারে অংশ করতে পারবে না। অমিত শাহ সাংবাদিক সম্মেলন করে ২০০ পার করার কথা বলছেন। তাহলে এতো ভয় কেন? একটা নারীর সাথে লড়াই করতে গিয়ে নাড়িভূড়ি বেরিয়ে যাচ্ছে। তাবড় তাবড় নেতাকে লেজে গোবরে হতে হচ্ছে।
২) উন্নয়ন ও তথ্য পরিসংখ্যানে ভোট দিন। ১০-০ গোল দিয়ে ভোঁকাট্টা না করতে পারি আমি রাজনীতিতে পা রাখবো না। মোদিজির রিপোট কার্ড কোথায়? আমরা তো কাজের রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করেছি।
৩) বাংলা বহিরাগতদের কাছে মাথানত করবে না। বাংলায় একটা রাজনৈতিক দলের সুবিধার জন্য ৮ দফায় ভোট।
৪) চার দফায় ভোট হয়ে গেছে। বাকি দফায় দম্ভ, অহংকার চূর্ণ করে ২ মে বলো হরি হরি বোল করে বিশ্বাসঘাতক আর বহিরাগতদের খাটে তোলা হবে।
৫) তৃণমূলের প্রতিশ্রুতি হাইকোয়ালিটি ডিবিডি। চালালে আপনি চোখে দেখতে পাবেন, কানেও শুনতে পাবেন। মোদিজির প্রতিশ্রুতি ভাঙ্গা অডিও ক্যাসেট। টেপে চালাবেন, কানেও শুনতে পাবেন না। চোখেও দেখতে পাবেন না।
৬) করোনার গ্রাফ উর্দ্ধমুখী। সারাদেশে ১৩০ কোটি লোকের মধ্যে ১ কোটি ভ্যাক্সিন সারা দেশে পাঠিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। আর বিদেশে পাঠিয়েছে ১০ কোটি। বাংলাদেশে ৫০ লক্ষ, পাকিস্তানে ৫০ লক্ষ, নেপাল ৩০ লক্ষ, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানিতে টিকা পাঠিয়েছে। অথচ দেশের মানুষকে ভ্যাক্সিন থেকে বঞ্চিত করেছে। এদের কাছে মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই। কারণ এদের কাছে নরেন্দ্র মোদীর ভাবমূর্তি আগে, মানুষের জীবন আগে নয়। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১০ কোটি মানুষকে খাদ্যসাথীর আওতায় আনা হয়েছে। আপনি বিজেপি, সিপিএম, তৃণমূল বা কংগ্রেস হলেও খাদ্যসাথীও পাবেন, স্বাস্থ্যও পাবেন। মমতার কাছে নিজের ভাবমূর্তি আগে নয়, মানুষের জীবন আগে, প্রাধান্য আগে। এটাই নরেন্দ্র মোদীর সাথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্থক্য।

Post a Comment